পেঁয়াজের মৌসুমের শেষ মুহূর্তে বাজারে দরপতনে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। উৎপাদন খরচ তুলতে না পেরে অনেকটা হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন পেঁয়াজ চাষিরা। বাজারে পেঁয়াজের দাম কমে যাওয়ায় লোকসানের আশঙ্কায় পড়েছেন তারা।
শনিবার (৩১ অক্টোবর ২০২৬) ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ময়েনদিয়া বাজারে সরেজমিনে দেখা যায়, প্রতি মণ পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫০ থেকে ১ হাজার ১০০ টাকায়। গত হাটের তুলনায় দাম কমে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।
কৃষকদের অভিযোগ, জমি প্রস্তুত, বীজ, সার, কীটনাশক, সেচ ও শ্রমিকের মজুরিসহ পেঁয়াজ উৎপাদনে খরচ বেড়েছে। অথচ বাজারে ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় উৎপাদন খরচ তোলাই কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে শেষ মুহূর্তে এসে পেঁয়াজের বাজারে এমন দরপতনে তাদের মাথায় হাত।
কৃষকদের দাবি, পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। তা না হলে লোকসানের বোঝা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
এক কৃষক বলেন, আমরা অনেক কষ্ট করে জমিতে পেঁয়াজ আবাদ করেছি। বীজ, সার, কীটনাশক, সেচ ও শ্রমিকের মজুরি—সবকিছুর খরচ বেড়েছে। কিন্তু বাজারে পেঁয়াজের দাম দিন দিন কমছে। বর্তমান দামে পেঁয়াজ বিক্রি করে উৎপাদন খরচও উঠছে না। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে । সরকারের কাছে দাবি, কৃষকদের কথা বিবেচনা করে পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হোক।




