কুড়িগ্রামের চিলমারীতে প্রায় দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে সড়ক উন্নয়নকাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ নির্মাণকাজে বালুর বদলে ইটের গুঁড়া এবং নিম্নমানের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও কাজ শেষ হয়নি।
সড়কটির নির্মাণকাজ সরেজমিনে দেখে বালুর বদলে ইটের গুঁড়া ব্যবহারের বিষয়টি পাওয়া গেছে। কাজের দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা মিলন নামের এক ব্যক্তি বলেন “সব জায়গায় যে খারাপ, তা নয়; ভালো-খারাপ মিশ্রণ আছে।”
স্থানীয় বাসিন্দা মহুবর রহমান বলেন, কাজ শুরুর পর থেকেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন অনিয়ম করছেন। কাজ ফেলে রাখায় চলাচলে দুর্ভোগ হচ্ছে। নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় সড়কটি বেশিদিন টিকবে না বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, বৃহত্তর রংপুর অঞ্চলের জেলা-সমূহের পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের (জিআরআরআইআইপি) আওতায় থানাহাট ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় থেকে ব্যাপারীর হাট পর্যন্ত সড়কের ৯৫০ থেকে ২ হাজার ৩৫০ মিটার অংশ উন্নয়নের কাজ চলছে। এতে বরাদ্দ ১ কোটি ৪৭ লাখ ৮ হাজার ৭১৭ টাকা। কাজটি করছে বরেন্দ্র কনস্ট্রাকশন লিমিটেড। চলতি বছরের ১৩ জুলাইয়ের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও এখনো তা চলমান।
বালুর পরিবর্তে ইটের গুঁড়া ব্যবহারের বিষয়ে চিলমারী উপজেলা উপসহকারী প্রকৌশলী আতাউর রহমান বলেন, “বালুর জায়গায় ডাস্ট দিয়ে রাস্তা খারাপ করেছে। ডাস্ট যেটা দেওয়া হয়েছে, সেটা সরানো হবে।”
নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়া ও অন্যান্য অভিযোগের বিষয়ে চিলমারী উপজেলা প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জগবন্ধু রায় বলেন, সরেজমিনে না দেখে এ বিষয়ে কিছু বলা সম্ভব নয়। তিনি কাজের স্থান পরিদর্শনের পর বিস্তারিত জানাবেন।




