কষ্ট আর পরিশ্রমে উৎপাদিত পেঁয়াজের ন্যায্য দাম না পাওয়ার শঙ্কায় বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার বিখ্যাত ময়েনদিয়া হাটে পেঁয়াজের দামে বড় ধরনের পতন লক্ষ্য করা গেছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর ২০২৬) ময়েনদিয়া হাটে গত হাটের তুলনায় পেঁয়াজের দাম মণপ্রতি ২০০ টাকা কমেছে বলে জানা গেছে। হঠাৎ দাম কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ তুলতে পারবেন কি না, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন কৃষকরা।
পেঁয়াজ উৎপাদনে জমি প্রস্তুত, বীজ, সার, কীটনাশক, সেচ ও শ্রমিকের মজুরিসহ বিভিন্ন খাতে কৃষকদের উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় করতে হয়। অথচ বাজারে দাম কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ উঠে আসবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তাঁরা।
পেঁয়াজ বিক্রি করতে আসা এক কৃষক বলেন, “অনেক কষ্ট করে পেঁয়াজ উৎপাদন করেছি। জমি প্রস্তুত থেকে শুরু করে সার, বীজ, সেচ ও শ্রমিকের মজুরি—সব মিলিয়ে অনেক টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু হাটে এসে দেখি, আগের তুলনায় মণপ্রতি ২০০ টাকা দাম কম। এভাবে দাম কমতে থাকলে উৎপাদন খরচ তুলতে পারব কি না, তা নিয়েই চিন্তায় আছি।”
কৃষকদের প্রত্যাশা, পেঁয়াজের বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং তাঁরা তাঁদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য পাবেন।
এখন কৃষকদের মনে একটাই প্রশ্ন—এত কষ্টে ফলানো পেঁয়াজ বিক্রি করে উৎপাদন খরচ তুলতে পারবেন তো তাঁরা?




