মাগুরার শ্রীপুরে ভোরে এক বাড়িতে ঢুকে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে গেছে মুখোশধারী ডাকাত দল। এ ঘটনায় শ্রীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আজ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং রোববার ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের মৃত আরব আলী শেখের ছেলে মো. অলিয়ার শেখ নামাজ পড়তে মসজিদে যান। সকাল সাড়ে ৫টার দিকে নামাজ শেষে বাড়ি ফিরে আসার সময় সংবাদ পান তার বসতবাড়িতে ৭/৮ জনের একটি দল ডাকাতি করে পালিয়ে গেছে।
অভিযোগকারী অলিয়ার শেখ বলেন, “আমি নামাজ শেষে বাড়িতে এসে দেখি আমার স্ত্রী মোসা. রুমা বেগমে কান্না করছেন। পরে বসতঘরে প্রবেশ করে আমার স্ত্রীর কাছ থেকে জানতে পারি তারা আমার স্ত্রী ও সন্তানদের জিম্মি করে রেখে আমার স্ত্রীর হাত-পা বেঁধে ডাকাতরা ঘরের আলমারি ও শো-কেস ভেঙে নগদ ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা এবং আনুমানিক ৩ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে পালিয়ে গেছে। এসময় স্ত্রী ও সন্তানদের মারপিট করে খুন-জখমের ভয় দেখিয়ে একটি মাইক্রোবাসে করে ডাকাতরা শ্রীপুর বাজারের দিকে চলে যায়।
ভুক্তভোগী রুমা বেগম জানান, ভোরে আমার স্বামী প্রতিদিনের মত ফজরের নামাজ পড়তে মসজিদে গেলে আমি রান্না ঘরে রান্নার কাজে যায়। হঠাৎ তিনজন লোক এসে আমার হাত পা ধরে মুখ চেপে রাখে এবং হুমকি দেয়। পরে বাকি তিন চার জন আমার ঘরে ডুকে টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে চলে যায়। তারা চলে যাবার সময় আমাকে ছেড়ে দিলে আমার কান্না কাটি ও চিৎকারে পাশের লোকজন চল।
প্রতিবেশী আখি বেগম জানান, চিল্লাচিল্লি ও কান্না শুনে এগিয়ে এসে দেখি রুমা বেগম ভয়ে কাঁপছে। পরে সে ডাকাতির কথা জানালে আমরা ঘরে প্রবেশ করে দেখি তার ঘরের বিভিন্ন জিনিসপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
ঘটনার বিষয়ে শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে দাবি করেন মো. অলিয়ার শেখ। অভিযোগে অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওলি মিয়ার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, পার্শ্ববর্তী ছোনগাছা এলাকায় মারামারির ঘটনায় সেখানে রয়েছেন। ডাকাতির কোন অভিযোগ তিনি পাননি। পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




