মহানগর এক্সপ্রেসে চড়ে গভীর রাতে ফেনীতে প্রতিমন্ত্রী

কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রসারিত রুটে মহানগর এক্সপ্রেসের চলাচল শুরুর প্রথম দিনেই ট্রেনে চড়ে ফেনী গেছেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব। সোমবার (২৬ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টা ৫৫ মিনিটে ট্রেনটি ফেনী রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছায়।

স্টেশনে নেমে প্রতিমন্ত্রী যাত্রীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় যাত্রীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনুসহ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, রেলওয়েতে দুর্নীতি কিংবা টিকিট নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অনলাইনে টিকিট বিক্রি চালু থাকলেও কোথাও কোনও অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

রেলওয়ের সেবার মান বাড়ানো ও সাধারণ মানুষের কাছে তা পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী রেল যোগাযোগের উন্নয়ন ও সেবা সম্প্রসারণে গুরুত্ব দিচ্ছেন। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে। সারা দেশের উন্নয়নের পাশাপাশি ফেনীর উন্নয়নেও সরকার সচেষ্ট।

মহানগর এক্সপ্রেসের ফেনীতে যাত্রাবিরতি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ট্রেনটি চালুর পরিকল্পনার সময় ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু ফেনী স্টেশনে যাত্রাবিরতি এবং স্থানীয় যাত্রীদের জন্য সর্বোচ্চ আসন বরাদ্দের দাবি জানিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে সেই দাবি পূরণ হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, রেলওয়ের উন্নয়নে ফেনীবাসীর দাবিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। অতীতে লোকোমোটিভ ও গ্যারেজের সংকট ছিল। মিটারগেজ ও লোকোমোটিভের ঘাটতি কমাতে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। রেলওয়ের অবকাঠামো ও সক্ষমতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় কাজ চলছে।

ফেনীবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, যাত্রীরা বেশি করে টিকিট কেটে মহানগর এক্সপ্রেসে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার ভ্রমণ করলে এ অঞ্চলে আসনসংখ্যা ও রেলসেবা বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে সুবিধা হবে।

মহানগর এক্সপ্রেসের ফেনী স্টেশনে যাত্রাবিরতি চালু হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাতায়াতে নতুন সুযোগ তৈরি হলো। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশা করছেন, নতুন এ সুবিধায় এ অঞ্চলের মানুষের রেলভ্রমণ আরও সহজ হবে।

মন্তব্য করুন

জনপ্রিয় খবর

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

Scroll to Top