পোরশায় অবৈধ চাঁদাবাজি ও প্রতারণার অভিযোগ: অভিযোগ অস্বীকার সফিনুরের

নওগাঁর পোরশা উপজেলার ৩নং ছাওড় ইউনিয়ন এলাকায় সরকারি সম্পত্তি দখল, পুকুর ও হাট ইজারা কেন্দ্রিক চাঁদাবাজি এবং জমি উদ্ধারের নামে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে একটি অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রতিকার ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন এলাকার ভুক্তভোগী ও সাধারণ জনগণ।
​লিখিত আবেদনে জানা যায়, অভিযুক্ত চক্রটি সরকারি খাস পুকুর ইজারা ও টেন্ডার প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত চাঁদা আদায় করছে। এছাড়া স্থানীয় হাটে ক্ষমতার অপব্যবহার করে নির্ধারিত জায়গা অন্যকে বুঝিয়ে দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়া এবং সরকারি ময়লা ফেলার জায়গা বিক্রির অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
​আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, পশ্চিমপাড়ার বাসিন্দা আব্বাছ নামে এক ব্যক্তির জমি দখল উদ্ধার করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৪০,০০০ (চল্লিশ হাজার) টাকা গ্রহণ করা হলেও কোনো কাজ করা হয়নি। পরবর্তীতে পাওনা টাকা ফেরত চাইলে তাকে ভয়ভীতি ও গালিগালাজ করা হয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
​এ বিষয়ে ৩নং ছাওড় ইউনিয়নের নোনাহার, কুশারপাড়া ও বাঁকইল গ্রামের রবিউল, মমিনুল, নেজারুল, রিয়াজুদ্দিন, ধলা ও শফিনুরসহ বেশ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে প্রশাসনিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তালিকার অন্যতম অভিযুক্ত শফিনুর সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি মুর্শিদপুর হাটের বিষয় বা এই ধরনের কোনো কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত নই। আমি কারো কাছ থেকে কোনো টাকা-পয়সা নিইনি। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।”
​এ বিষয়ে পোরশা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, লিখিত আবেদন খতিয়ে দেখে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য করুন

জনপ্রিয় খবর

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

Scroll to Top