“মানুষের পাশে সোনালী লাইফ” এবং “নিরাপদ জীবন, সমৃদ্ধ আগামী”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়ায় সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি (Sonali Life Insurance PLC)-এর উদ্যোগে এক বিশেষ ‘মৃত্যু দাবি প্রাপ্তি ও গেস্ট সেমিনার’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ ১৪ অক্টোবর ২০২৬, বুধবার কালাইয়া অফিসে আয়োজিত এক আবেগঘন পরিবেশে অকালপ্রয়াত বীমা গ্রাহক মরহুম মো: হেলাল জমাদ্দার-এর পরিবারের কাছে ১,৮০,০০০ (এক লক্ষ আশি হাজার) টাকার মৃত্যু দাবির চেক আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হয়।
শোক প্রকাশ ও অতিথিবৃন্দের সংবর্ধনাঃ
অনুষ্ঠানের শুরুতে মরহুম মো: হেলাল জমাদ্দারের অকাল মৃত্যুতে তাঁর প্রতি গভীর শোক প্রকাশ ও সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়।
এরপর আয়োজক ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে আমন্ত্রিত অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানোর মাধ্যমে অনুষ্ঠানের মূল কার্যক্রম শুরু হয়।
উপস্থিত অতিথিবৃন্দঃ
অনুষ্ঠানে প্রধান ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
প্রধান অতিথি: মো: নাজমুল হোসেন বিপ্লব (সহকারী সাধারণ ব্যবস্থাপক / এজিএম, সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স)।
বিশেষ অতিথি: মো: সাইদুল ইসলাম হিরন (শাখা ব্যবস্থাপক / ব্রাঞ্চ ম্যানেজার, সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স)।
উপস্থিত ছিলেন মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন – অর্থনৈতিক পরামর্শক সোনালী লাইফ পিএলসি।
এছাড়া স্থানীয় অন্যান্য কর্মকর্তা, বীমা প্রতিনিধি এবং এলাকার সুধীজন ও সম্ভাব্য নতুন গ্রাহকগণ (গেস্ট) সেমিনারে অংশ নেন।
মৃত্যু দাবির চেক হস্তান্তর
অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল মৃত্যু দাবির চেক প্রদান পর্ব। মরহুম হেলাল জমাদারের পরিবারের পক্ষে তাঁর স্ত্রী (কোলে শিশু সন্তানসহ) ও স্বজনদের হাতে ১,৮০,০০০ টাকার চেক তুলে দেন প্রধান অতিথি ও অন্যান্য কর্মকর্তা।
চেকটি ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড (কালাইয়া মেট্রো শাখা)-এর নামে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ইস্যু করা হয়।
স্বামীকে হারিয়ে কোলে ছোট সন্তান নিয়ে আসা স্ত্রীর হাতে এই অর্থ তুলে দেওয়ার সময় উপস্থিত সবার মাঝে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
সেমিনার ও প্রধান অতিথির বক্তব্যঃ
চেক হস্তান্তরের পর স্থানীয় গ্রাহক ও আমন্ত্রিত অতিথিদের বীমা সুরক্ষার সুফল বোঝাতে একটি বিশেষ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে প্রধান অতিথি মো: নাজমুল হোসেন বিপ্লব বলেন:
”জীবন অনিশ্চিত, কিন্তু বীমা পরিবারকে আর্থিক নিরাপত্তা দেয়। সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স গ্রাহকদের আমানত রক্ষা এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে বীমা দাবি পরিশোধে সবসময় অঙ্গীকারবদ্ধ।
হেলাল জমাদার যে দূরদর্শিতা দেখিয়ে বীমা করেছিলেন, আজ তাঁর অনুপস্থিতিতে এই সঞ্চয় ও মৃত্যু দাবি তাঁর অবুঝ সন্তান ও পরিবারের টিকে থাকার সম্বল হিসেবে কাজ করবে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স তাদের স্বচ্ছতা ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবার মাধ্যমে গ্রাহকদের ট্রাস্ট অর্জনে সক্ষম হয়েছে।
উপস্থিত গ্রাহকদের প্রতিক্রিয়া
অনুষ্ঠানে আসা অতিথিরা সোনালী লাইফের এত দ্রুত মৃত্যু দাবি নিষ্পত্তি করার প্রশংসনীয় পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
তারা জানান, গ্রামীণ ও মফস্বল এলাকায় জীবন বীমা সম্পর্কে যে নেতিবাচক ধারণা রয়েছে, এ ধরনের দৃষ্টান্তমূলক উদ্যোগ মানুষের মনে আস্থা ফিরিয়ে আনবে।




