ঈদগাঁওতে উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে ৯৫ হাজার টাকা জরিমানা

কক্সবাজার ঈদগাঁও উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের পৃথক অভিযানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেকারি পরিচালনা, ফুটপাত দখল এবং সড়ক দখল করে অবৈধভাবে ট্রাক পার্কিংসহ বিভিন্ন অপরাধে তিনটি বেকারিসহ কয়েকজন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে মোট ৯৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নের শাহ ফকির বাজার, ঈদগাঁও ইউনিয়নের জাগির পাড়া এবং জালালাবাদ ইউনিয়নের সওদাগর পাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন ঈদগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মংচিংনু মারমা।

 

অভিযানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫২ ধারায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও বিক্রির অভিযোগে ফকিরা বাজারের আর রহমান বেকারি, জাগির পাড়ার আনন্দ বেকারি এবং সওদাগর পাড়ার নিউ ঢাকা বেকারিকে মোট ৭০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। জরিমানার অর্থ ঘটনাস্থলেই আদায় করা হয়েছে।

 

অপরদিকে, ঈদগাঁও বাজারে ফুটপাত দখল করে জনসাধারণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করায় স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর ৯৮(৪) ধারায় দুই ব্যক্তিকে মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

 

এছাড়া ঈদগাঁও বাজারের প্রধান সড়ক দখল করে অবৈধভাবে ট্রাক পার্কিংয়ের মাধ্যমে মালামাল ওঠানামা ও আনলোড করার দায়ে কামাল উদ্দিনের মুদির দোকানকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। এসব জরিমানার অর্থও তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়েছে।

 

অভিযান চলাকালে ঈদগাঁও থানার পুলিশ সদস্য ও আনসার সদস্যদের একটি চৌকস দল ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সহযোগিতা করে।

 

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বার্থ রক্ষা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং ঈদগাঁওয়ের যানজট নিরসনে এ ধরনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

 

একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে ও আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনা এবং ফুটপাত ও সড়ক দখল করে জনসাধারণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের নিয়োগ সংবিধানসম্মত নয়: টিআইবি

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) জানিয়েছেন, টেকনোক্র্যাট কোটায় দ্বৈত নাগরিকত্বধারী পররাষ্ট্র

গলাচিপায় বসত ঘর আগুনে ভস্মিভূত

পটুয়াখালীর গলাচিপায় একটি বসত ঘর আগুনে ভস্মিভূত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার রতনদীতালতলী ইউনিয়নের উলানিয়া বন্দরে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনাটি ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। কিন্তু ততক্ষণে উলানিয়া বন্দরের মৎস্য ব্যবসায়ী মরহুম আব্দুল খালেক বেপারীর বসত ঘরটি আগুনে ভস্মিভূত হয়ে যায়। এতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। বসত ঘরের দোতলায় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত বলে জানিয়েছেন গলাচিপা ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স স্টেশন অফিসার মো. জাকির হোসেন। প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. মিলন বলেন, মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উলানিয়া বন্দরে আগুনের খবর শুনে আমরা দৌড়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। গিয়ে দেখি মৎস্য ব্যবসায়ী মরহুম আব্দুল খালেক বেপারীর বসত ঘরটি আগুনের লেলিহান শিখায় দাউ দাউ করে জ্বলছে। ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম ঘটনাস্থলে আসার আগেই স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও শেষ রক্ষা হয়নি। কিছু আসবাবপত্র সরাতে পারলেও শেষ পর্যন্ত বসত ঘরটি সম্পূর্ণ আগুনে ভস্মিভূত হয়ে যায়। এ বিষয়ে গলাচিপা ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স স্টেশন অফিসার মো. জাকির হোসেন বলেন, আব্দুল খালেক বেপারীর বসত ঘর থেকে বৈদ্যুতিক শর্টসাকির্ট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। এতে ২০ লাখ টাকার ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়।

Scroll to Top