৮ বছর বয়সী মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টায় আটক শিক্ষক

কুড়িগ্রাম জেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড এর মাদ্রাসা শিক্ষক আব্দুল বারেক (২৫) পিতা নুরুল হক।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আব্দুল বারেক তার নিজ জমিতে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন এবং নিজেই শিক্ষকতা করেন। গত কয়েকদিন পূর্বে তার এক শিক্ষার থেকে ধর্ষণের চেষ্টা করে এবং ভয় দেখায়। এতে করে শিক্ষার্থী ভয় পেয়ে পরিবারকে কিছুই জানায়নি। কিন্তু পরিবার মেয়েটির অস্বাভাবিক আচরণ দেখে মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদ করার একপর্যায়ে ঘটনাটি জানতে পারেন। কিন্তু ভুক্তভোগী পরিবার গরিব হওয়ায় মানসম্মানের ভয়ের ঘটনাটি তাৎক্ষণিকভাবে গোপন রাখেন। স্থানীয় মানুষ জানার পর বিষয়টি খুব দ্রুত জনসাধারণের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। যুব সমাজের উদ্যোগে স্থানীয় চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ করে এবং ভুক্তভোগের পাশে থাকার আশ্বাস দেয়। গত ১৪ সেপ্টেম্বর চেয়ারম্যানের বাড়িতে এই ধর্ষণ অভিযোগের বিচার হয়। বিচারে ধর্ষণের সত্যতা এবং সেই শিক্ষকের স্বীকারকদের সাপেক্ষে বিচারের রায় জানান স্থানীয় চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান। বিচারের রায় হিসেবে সেই শিক্ষককে জুতাপেটা করে ছেড়ে দেন। এতে করে স্থানীয় জনগণ অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এর কিছুদিন আগেও নারায়ণপুর পুরাতন বাজারের পাশে জয়নাল (৩৩) নামের এক ব্যক্তি একজন প্রতিবন্ধী মেয়েকে ধর্ষণ করেন। স্থানীয় লোকজন হাতেনাতে ধরলেও তার পরিবার এবং আত্মীয়দের প্রভাব থাকায় তার বিচারও সঠিকভাবে হয়নি। এই দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা খুব প্রকাশ করে বলেছেন এটা ধর্ষণের বিচার নয় বরং ধর্ষণের লাইসেন্স দেয়া হচ্ছে তাদের। স্থানীয়রা ভয় এবং আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন কখন কার পরিবারে এই হায়নাদের হানা পড়ে সেটা নিয়ে। স্থানীয় জনগণেরা এর সুস্থ বিচার এবং স্থায়ী সমাধান চায়।

মন্তব্য করুন

জনপ্রিয় খবর

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

Scroll to Top