দীর্ঘ সময় ধরে বহুল আলোচিত ও বিতর্কের মুখে থাকা ঢাকা বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্প চূড়ান্তভাবে বন্ধ বা বিলুপ্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রিসভা। একই সাথে ‘ঢাকা বাস র্যাপিড ট্রানজিট পিএলসি’ কোম্পানিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হচ্ছে। প্রকল্পের অধীনে নির্মিত দুটি ফ্লাইওভার বা ওভারপাস ছাড়া বাকি সব নিবেদিত বিআরটি বাস লেন ও করিডোর অবকাঠামো ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই রুটের সার্বিক সড়ক ব্যবস্থাপনা ও তদারকির দায়িত্ব রোড ট্রান্সপোর্ট অ্যান্ড হাইওয়েজ ডিভিশন বা সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের ওপর ন্যস্ত করা হচ্ছে।
প্রকল্প বিলুপ্তির কারণ: ঢাকা-গাজীপুর রুটে যানজট কমানোর লক্ষ্যে প্রায় এক দশক আগে বিআরটি প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল। তবে বছরের পর বছর ধরে ধীরগতি, বারবার সময় ও ব্যয় বৃদ্ধি, এবং করিডোর নির্মাণের কারণে তীব্র যানজট সৃষ্টি হওয়ায় প্রকল্পটি সাধারণ মানুষের কাছে জনদুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ২. অবকাঠামো অপসারণ: বাস চলাচলের জন্য রাস্তার মাঝে যে আলাদা ডিভাইডার ও বিশেষ বিআরটি লেন করা হয়েছিল (যেটি ছবিতে দৃশ্যমান), সেগুলো ভেঙে আবার সাধারণ রাস্তার সাথে একীভূত করা হবে। ফলে ঢাকা-গাজীপুর মহাসড়কটি পূর্ণাঙ্গভাবে সব যানবাহনের জন্য উন্মুক্ত হবে। ৩. যা বহাল থাকছে: শুধুমাত্র নির্মিত দুটি ওভারপাস/ফ্লাইওভার চলাচলের জন্য বহাল রাখা হবে, যাতে টঙ্গী ও গাজীপুর এলাকার যানজট নিরসনে সেগুলো ব্যবহার করা যায়|
গাজীপুর ও উত্তরার সাধারণ যাত্রী এবং যানবাহন চালকরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলছেন, অসমাপ্ত এই অবকাঠামোর কারণে প্রতিনিয়ত যে দুর্ঘটনা ও যানজট হতো, রাস্তা সমতল ও উন্মুক্ত করে দিলে সে ভোগান্তি অনেকটাই লাঘব হবে।




