ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে বাগেরহাটে বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করেছে জগন্নাথ স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (কোডেক) এর আয়োজনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
উপস্থিত ছিলেন,যদুনাথ স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ঝিমি মন্ডল,
কোডেকের ফোকাল পার্সন সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, সমন্বয়কারী রাগীব আহসান, আইডিয়াল ইনস্টিটিউট, শরণখোলার প্রধান নির্বাহী ওসমান গনি, সুজনের সম্পাদক এস কে এম হাসিব, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কার্যনির্বাহী সদস্য আল আমিন সরদার এবং বাংলাদেশ স্কাউটস, বাগেরহাটের কোষাধ্যক্ষ তানজির হোসেন।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের আশপাশের বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে বাসিন্দাদের ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে সচেতন করেন। একই সঙ্গে বাড়ির আশপাশে জমে থাকা পানি, জলাবদ্ধ স্থান ও মশার বংশবিস্তারের সম্ভাব্য স্থান চিহ্নিত করে তা পরিষ্কার করেন রাস্তার পাশে থাকা বিভিন্ন ময়লার স্তূপও পরিষ্কার করে। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের বিষয়ে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু চিকিৎসার ওপর নির্ভর না করে নিজেদের বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখা জরুরি। কোথাও পানি জমে থাকলে তা দ্রুত অপসারণের পাশাপাশি অন্যদেরও সচেতন করতে হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা কবিতা রানী নাথ বলেন, শিক্ষার্থীরা বাড়িতে এসে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে বুঝিয়ে দিয়েছেন। তাদের এই উদ্যোগের ফলে বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখা এবং কোথাও পানি জমতে না দেওয়ার বিষয়ে আরও সচেতন হয়েছেন তারা।
কোডেকের ম্যানেজার মাহবুবুর রহমান সজল বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্য হলো স্থানীয় জনগণকে সরাসরি সম্পৃক্ত করা।
জগন্নাথ স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ জিমি মন্ডল বলেন, শিক্ষার্থীরা শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান অর্জন করবে না, সমাজের বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলায় তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখাও প্রয়োজন। ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের এমন কার্যক্রম তাদের সামাজিক দায়িত্ববোধ বাড়াবে।
বাগেরহাট জেলার সিভিল সার্জন এর তথ্য মতে বাগেরহাটে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর দুজনের মৃত্যু হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত হাসপাতাল ভর্তি রয়েছে ১৩৮ জন এখন পর্যন্ত চিকিৎসা নিয়েছে ১৪ ৪৮ জন।




