অভিযোগ, সূত্রে জানা যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অনলাইনে সু দক্ষ প্রতারক উর্মি আক্তার ব্যবহার করেন ফেসবুক টুইটার টিকটিক ইমু হোয়াটসঅ্যাপ এবং মেসেঞ্জারের মাধ্যমে মিথ্যা প্রেমের নাটক করে প্রচারণার মাধ্যমে চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া যায় উর্মি আক্তার নামের এক তরুণীর বিরুদ্ধে।
স্থানীয় বিশ্বস্ত সূত্র গুলো বলেছেন গার্মেন্ট কর্মী উর্মি আক্তারের প্রতারণা ও চাঁদাবাজির ভয়ংকরভাবে বেরে যাচ্ছে অভিযুক্ত প্রতারক উর্মি আক্তার রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মধ্যবিত্ত পরিবারের, যুবকদের কে টার্গেট করে মিথ্যা প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিশ্বাসঘাতকতার, মাধ্যমে বিকাশে, চাঁদাবাজির, অগনিত প্রমাণ পাওয়া যায়) এদিকে বিগত ১৪ মে২০২৬ ইং তারিখে সন্ধ্যা ৭ টা ৪৬ মিনিটে বিকাশ নাম্বার ০১৮৮৪৮১০০৫৭ নাম্বারে ১০২০ টাকা পার্সোনাল বিকাশ নাম্বার 0১৮৪০০৬১২১৮নাম্বারে ১০০০ টাকা
২৪/জুন ২০২৬ বিকাশ এজেন্ট ০১৮৮৯৮৫৪৭৮১ নাম্বারে ১০০০ টাকা একৈ নাম্বারে ০২ জুলাই ২০২৬ তারিখে০১৮৮৯৮৫৪৭৮১ ১০০০টাকা ০৪ জুলাই ২০২৬ বিকাশ এজেন্ট ০১৮৫২০১৯৩৪৮ নাম্বারে ২০০০ হাজার টাকা এবং সর্বশেষ ৫ আগষ্ট ২০২৬ ইং তারিখে রাত ০৯ টা ০৫ মিনিটে বিকাশ নাম্বার ০১৮১১৯২০৭৬৬ নাম্বারে ১০,০০০ হাজার টাকা নিয়ার পর ভুক্তভোগীদের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে উধাও হয়ে যায় । প্রতারক চাঁদাবাজ উর্মি আক্তার।এদিকে ভুক্তভোগীরা বলেন (১) সোলায়মান (২) শাখাওয়াত হোসেন (৩) সাজ্জাদ হোসেন বাবলু (৪) ইয়াছিন (৫) খাইরুল (৬) জিশান (৭) কাইয়ুম (৮) আরফাত (১০) মামুন (১১) নাছির উদ্দিন (১২) নাঈম উদ্দিন (১৩) মিনহাজ উদ্দিন (১৪) মোঃ নয়ন (১৫) আরিফুল ইসলাম(১৬) রাকিব (১৭) ফারুক (১৮) মিজান (১৯) সাজান(২০) আজিজ(২১) নুর আলম (২২) রকিব(২৩) আরফাত(২৪) মোঃ ইস্তেহার ইসলাম(২৫) লুকমান হাকিম (২৬) মোঃ মিজান(২৭) আর জে রাসেল ভয়েস কিং(২৮) মোঃ ফারুক (৩৯) মোঃ সাহাদাত হোসেন (৩০) মোঃ মহিউদ্দিন, (৩১) মোঃ হানিফ (৩২) শাহেদ (৩৩) রিয়াদ) এ দিকে প্রতারক এর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে মিথ্যা মামলার ভয় ভীতি দেখিয়ে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয় অভিযুক্ত উর্মি আক্তার ও তার বড় ভাই মোঃ হোসেন প্রকাশ টিপু।বিগত ৭ আগষ্ট ২০২৬ ইং তারিখে অভিযুক্ত উর্মি আক্তারের মোবাইল ফোন থেকে কল করে আনোয়ারা, থানার এসআই জুয়েল নামের এক ব্যক্তি সাংবাদিক মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক কে বলেছেন অভিযুক্ত প্রতারক বিশ্বাসঘাতক চাঁদাবাজ উর্মি আক্তারের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য প্রস্তাব দেন। কিন্তু অনুসন্ধান করে দেখা যায় অজ্ঞাত ব্যক্তি আনোয়ারা থানার এসআই জুয়েল নয় অজ্ঞাত ব্যক্তি কে ব্যবহার করে পুলিশ পরিচয়ে মিথ্যা মামলার হুমকি এবং প্র্যাণাশের হুমকি দেয় অভিযুক্ত উর্মি আক্তার ও তার বড় ভাই টিপু।এ বিষয়ে জানতে আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি জুনায়েদ বলেন অভিযুক্ত প্রতারক চাঁদাবাজ উর্মি আক্তার থানায় আসার বিষয়টি সত্য নয় এবং এসআই জুয়েল সাহেব সাথে তরুণীর শরণাপন্ন হওয়ার বিষয়টি তিনি জানেন না বলেছেন (তিনি)অভিযুক্ত উর্মি আক্তার কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন তার ব্যক্তিগত ইসু নিয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি (তিনি)এর আগে প্রকাশিত সংবাদের সূত্র ধরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দরা বিগত ১৫ জুন ২০২৬ ইং তারিখে অভিযুক্ত বিতর্কিত উর্মি আক্তারের সঙ্গে পানীয় সালিশী বৈঠক হয় এ সময় উপস্থিত ছিলেন (১) মোঃ রহিম ইউপি সদস্য ৮ নং ওয়ার্ড পূর্ব বৈরাগ ইউপি (২) বাদশা মিয়া কম্পেনার মহসিন কলেজ চট্টগ্রাম এবং ছাত্রদল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি (৩) অভিযুক্ত উর্মি আক্তারের বড় ভাই টিপু মেজ ভাই সাজ্জাদ হোসেন এবং অভিযুক্ত উর্মি আক্তার নিজে এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন এ সময় অভিযুক্ত উর্মি আক্তার নিজের ভুল স্বীকার করেন এবং সকলের কাছে তিনি ক্ষমা প্রার্থনা করেন উপস্থিত জনসম্মুখে তিনি অঙ্গীকার করেন আর কোন যুবকের সাথে মিথ্যা প্রেমের নাটক করবেন না আর কারো সাথে অবৈধ সম্পর্কে জড়িত থাকবেন না প্রতারণা করবেন না বলে অঙ্গীকার করেন অভিযুক্ত উর্মি আক্তার। কিন্তু কালের পরিক্রমায় সময়ের পরিবর্তনে আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে অভিযুক্ত উর্মি আক্তার তিনি তার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছেন অভিযুক্ত উর্মি (আক্তার)এদিকে অভিযুক্ত উর্মি আক্তারের টিকটিক আইডিতে পাওয়া যায় শতাধিক যুবক সাথে তার অবৈধ সম্পর্কের ছবি এবং ভিডিও পাবলিশ করেছেন তিনি এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছেন অভিযুক্ত উর্মি আক্তার।এলাকাবাসীর দাবি গার্মেন্টসের নারী শ্রমিকদের, নিরাপত্তা নিশ্চিত, করতে হলে অবৈধ কর্মকান্ডের, সাথে জড়িত বিতর্কিত নারী শ্রমিক উর্মি আক্তার কে অবিলম্বে চাকরি থেকে দ্রুত বহিস্কার দাবি করেন স্থানীয়রা অন্যথায় এক ব্যক্তির কারণে আমাদের মা বোনদের চরিত্র নিয়ে সংখ্যা প্রকাশ করেন নারী শ্রমিকদের অবিবাক রা স্থানীয়রা আরো জানান একজন দুশ্চরিত্রা নারী উর্মি আক্তার কে জেন কোন গার্মেন্টসে চাকরি না দেয়ার দাবি জানান (তারা)উক্ত বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় সমাজপতিরা উদ্যোগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং তার বিরুদ্ধে সরকার এবং প্রশাসনের আইনগত ভাবে হস্তক্ষেপ এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানান সকল শ্রেণী পেশার মানুষ। এরপরও স্থানীয় ইউপি সদস্য রহিম মেম্বার বলেছেন অভিযুক্ত উর্মি আক্তার এবং তার পরিবারের সদস্যদের কে একাধিক বার সতর্ক করার পরেও তারা কোন কথা মানতে রাজি নন প্রতারক পরিবার।




