নিয়োগ কার্যক্রমে উপসহকারী প্রকৌশলী মামুন মিয়া, কমিউনিটি অর্গানাইজার মো. ফিরোজ মামুন এবং উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ের সার্ভেয়ার মো. পারভেজ মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।
একই দিন বিকেলে কোলকোন্দ ইউনিয়নে পুরো ইউনিয়নের আবেদনকারীদের একসঙ্গে নিয়ে লটারি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের আপত্তি থাকলেও তা উপেক্ষা করে লটারি সম্পন্ন করেন এলজিইডির কর্মকর্তারা। ফলে একই দিনে এক ইউনিয়নে জনপ্রতিনিধিদের বাধার মুখে লটারি না করে ফিরে যাওয়া এবং অন্য ইউনিয়নে আপত্তির মধ্যেই লটারি সম্পন্ন করার ঘটনায় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
আলমবিদিতর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য রেজাউল ইসলাম বলেন, একই প্রকল্পের আওতায় একেক ইউনিয়নে একেক পদ্ধতিতে লটারি আয়োজন করা হচ্ছে। এক ইউনিয়নে ওয়ার্ডভিত্তিক, অন্য ইউনিয়নে পুরো ইউনিয়নের আবেদনকারীদের একসঙ্গে নিয়ে লটারি করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এতে আবেদনকারীদের মধ্যে বৈষম্য তৈরি হচ্ছে। সব ইউনিয়নে একই নিয়ম অনুসরণ করে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে কর্মী নির্বাচনের দাবি জানান তিনি।
কোলকোন্দ ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য হুমায়ুন কবির লাল বলেন, তাঁদের ইউনিয়নে ইউপি সদস্যদের আপত্তি থাকা সত্ত্বেও পুরো ইউনিয়নের আবেদনকারীদের একসঙ্গে নিয়ে লটারি করা হয়েছে। অথচ অন্য ইউনিয়নে ভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে। একই প্রকল্পে ইউনিয়নভেদে এমন ভিন্ন নিয়ম কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, কর্মী নির্বাচনে সবার জন্য সমান নিয়ম ও সুযোগ নিশ্চিত করা উচিত।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী জয়া সান্যালের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি আমার মতো করেই কর্মী নেব, আপনারা নিউজ লেখেন।’
একই প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন ইউনিয়নে লটারি আয়োজনের পদ্ধতিতে ভিন্নতা এবং জনপ্রতিনিধিদের আপত্তির ঘটনায় নারী কর্মী নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় সব ইউনিয়নে একই নিয়ম অনুসরণ করে আবেদনকারীদের সমান সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিরা।




