এবার দিল্লির প্রেসক্লাবে মোদিকে পূজা, মন্দির নির্মাণের ঘোষণা!

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির প্রেস ক্লাব অব ইন্ডিয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পূজা করেছেন তৃতীয় লিঙ্গের কয়েকজন মানুষ। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) আয়োজিত এ ঘটনায় মোদির ছবি সংবলিত একটি কার্ডবোর্ড রাখা হয়। এ সময় ‘জয় জয় মোদি’ ও ‘হর হর মোদি’ স্লোগানও দেওয়া হয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য অবজার্ভার পোস্ট জানিয়েছে, দিল্লিতে নরেন্দ্র মোদিকে উৎসর্গ করে একটি মন্দির নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন তৃতীয় লিঙ্গের সম্প্রদায়ের সদস্যরা। মন্দিরটি যে এলাকায় নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে, সেখানেই বৃহস্পতিবার পূজার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে তৃতীয় লিঙ্গের নেতা ড. রাজন সিং ও মহামণ্ডলেশ্বর বৈভবী মহারাজ উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকেরা এ কর্মসূচির নাম দিয়েছেন ‘শ্রী মোদি চালিশা’। সাধারণত হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে এটি ‘হনুমান চালিশা’ নামে পরিচিত। মোদির পূজার এ আয়োজন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসে।

তবে প্রেস ক্লাব অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে পূজা করার জন্য তাদের পক্ষ থেকে কোনো অনুষ্ঠানের অনুমতি দেওয়া হয়নি। সংগঠনটির দাবি, আয়োজকেরা একটি সংবাদ সম্মেলন করার কথা বলে তাদের একটি হল ভাড়া নিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে সংবাদ সম্মেলনের পরিবর্তে পূজার আয়োজন করা হয়। প্রেস ক্লাব অব ইন্ডিয়া আরও জানায়, বিষয়টি নজরে আসার পর তারা দ্রুত হস্তক্ষেপ করে অনুষ্ঠানটি বন্ধ করে দেয়। তাদের মতে, এ ধরনের আয়োজন ভাড়ার চুক্তির সরাসরি লঙ্ঘন।

এ ঘটনায় এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে প্রেস ক্লাব অব ইন্ডিয়া বলেছে, তাদের প্রাঙ্গণে এমন একটি অনুষ্ঠানের ছবি ও ভিডিও তারা দেখতে পেয়েছে। তবে এ আয়োজনের সঙ্গে প্রেস ক্লাব কর্তৃপক্ষের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

সংগঠনটি স্পষ্ট করে জানায়, হলটি সংবাদ সম্মেলনের জন্য ভাড়া দেওয়া হয়েছিলো। ভাড়াটেরা চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করায় তাৎক্ষণিকভাবে হস্তক্ষেপ করে আয়োজনটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের নিয়োগ সংবিধানসম্মত নয়: টিআইবি

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) জানিয়েছেন, টেকনোক্র্যাট কোটায় দ্বৈত নাগরিকত্বধারী পররাষ্ট্র

গলাচিপায় বসত ঘর আগুনে ভস্মিভূত

পটুয়াখালীর গলাচিপায় একটি বসত ঘর আগুনে ভস্মিভূত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার রতনদীতালতলী ইউনিয়নের উলানিয়া বন্দরে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনাটি ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। কিন্তু ততক্ষণে উলানিয়া বন্দরের মৎস্য ব্যবসায়ী মরহুম আব্দুল খালেক বেপারীর বসত ঘরটি আগুনে ভস্মিভূত হয়ে যায়। এতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। বসত ঘরের দোতলায় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত বলে জানিয়েছেন গলাচিপা ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স স্টেশন অফিসার মো. জাকির হোসেন। প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. মিলন বলেন, মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উলানিয়া বন্দরে আগুনের খবর শুনে আমরা দৌড়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। গিয়ে দেখি মৎস্য ব্যবসায়ী মরহুম আব্দুল খালেক বেপারীর বসত ঘরটি আগুনের লেলিহান শিখায় দাউ দাউ করে জ্বলছে। ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম ঘটনাস্থলে আসার আগেই স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও শেষ রক্ষা হয়নি। কিছু আসবাবপত্র সরাতে পারলেও শেষ পর্যন্ত বসত ঘরটি সম্পূর্ণ আগুনে ভস্মিভূত হয়ে যায়। এ বিষয়ে গলাচিপা ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স স্টেশন অফিসার মো. জাকির হোসেন বলেন, আব্দুল খালেক বেপারীর বসত ঘর থেকে বৈদ্যুতিক শর্টসাকির্ট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। এতে ২০ লাখ টাকার ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়।

Scroll to Top