কিশোরগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে আগামী দুই বছরের জন্য জেলা আমির নির্বাচনে গোপন ব্যালটে ভোট দিয়েছেন সংগঠনটির আট শতাধিক পুরুষ ও নারী সদস্য। তবে ভোটগ্রহণ শেষে তাৎক্ষণিকভাবে ফল ঘোষণা করা হয়নি। কেন্দ্র থেকে পরে ফল প্রকাশ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে কিশোরগঞ্জের নেহাল গ্রীন পার্কের মিলনায়তনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলী। সঞ্চালনা করেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা নাজমুল ইসলাম।
সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য কর্নেল (অব.) ডা. জেহাদ খান, জেলা জামায়াতের সাবেক আমির মাওলানা অধ্যক্ষ মো. তৈয়বুজ্জামান ও অধ্যাপক আব্দুস সালাম, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আজিজুল হক, ঢাকা মহানগরী উত্তরের শূরা সদস্য অ্যাডভোকেট রোকন রেজা শেখ, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের ওয়ারী থানার আমির মাহবুবুর রহমান মাহফুজ এবং জেলা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোজাহিদ বিল্লাহ।
এ ছাড়া বিভিন্ন উপজেলা ও সাংগঠনিক থানা শাখার দায়িত্বশীল নেতা-কর্মী ও রুকনরা সম্মেলনে অংশ নেন।
সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে জেলা আমির নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু হয়। দলীয় নিয়ম অনুযায়ী, উদ্বোধনী বক্তব্যের পর অধ্যাপক মো. রমজান আলী নির্বাচন পরিচালকদের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। এরপর তিনি সভাপতির আসন ছেড়ে সাধারণ রুকনদের সারিতে বসেন।
পরে আট শতাধিক পুরুষ ও নারী রুকন গোপন ব্যালটে ভোট দেন। নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রধান নির্বাচন পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি কাজী সাইফুল্লাহ। কমিটির অন্য সদস্য ছিলেন সহকারী সেক্রেটারি শামসুল আলম সেলিম ও মাওলানা এস এম ইউসূফ।
ভোটগ্রহণ শেষে নতুন জেলা আমিরের নাম ঘোষণা করা হয়নি। কেন্দ্রীয়ভাবে পরবর্তী সময়ে ফল প্রকাশ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।




