হিন্দু পঞ্জিকায় তিথির হিসাব চন্দ্রের গতির উপর নির্ভর করে। কোনো কোনো বছর একটি তিথি দুই ক্যালেন্ডার দিনে বিস্তৃত হয়। ২০২৬ সালে আশ্বিন মাসের সপ্তমী তিথি এমনভাবে পড়েছে যে তা ১৭ অক্টোবর সকাল থেকে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। ফলে ভক্তরা দুই দিনই মহাসপ্তমীর পূজা, অঞ্জলি ও আরাধনা করতে পারবেন। জাতী সত্বার ভিন্নতায় ধর্ম পালন করা হলেও হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান দূর্গোৎসবে সকল ধর্মের মানুষই এটাকে উৎসব হিসেবে উপভোগ করেন।
আজ দুপুরে পৌরসভার প্রধান ও কেন্দ্রিয় দূর্গা মন্দির পরিদর্শনে আসেন পীরগঞ্জ উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ফজলুল কবীর, পৌর স্যানিটারী ইন্সপেক্টর আরিফুল ইসলাম লেনিন। জমজমাট আয়োজনের পূজা মন্ডপ ও মেলা ঘুরে দেখেন অতিথিরা। পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক চন্দ্র শেখর গোস্বামী ভোলা এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন। পরে পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ফজলুল কবীর। এ সময়ে দূর্গোৎসবের জমজমাট আয়োজনের ভূয়সী প্রসংশা করেন আগত কর্মকর্তারা। দূর্গোৎসব ও মেলা আয়োজক কমিটির সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর পবিত্র কুমার বিশ্বাস এবং সাধারণ সম্পাদক, সাংস্কৃতিমনা ব্যক্তিত্ব চন্দ্র শেখর গোস্বামী ভোলা এর আন্তরিক প্রচেস্টা ও তত্বাবধানে এবারের পূজা আয়োজন ও উদযাপন অনুষ্ঠিত হচ্ছে সুষ্ঠু, সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে।
আগামি ২১ অক্টোবর/২০২৬ খ্রিঃ, বুধবার বিজয়া দশমীতে বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দূর্গোৎসবের সমাপ্তি, জানালেন,আয়োজক কমিটির সাধারণ সম্পাদক চন্দ্র শেখর গোস্বামী ভোলা।




