দেশজুড়ে বিদ্যুতের ঘাটতি, জনজীবনে দুর্ভোগ

তীব্র গরমের মধ্যে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে বড় ব্যবধান তৈরি হয়েছে। ফলে রাজধানীসহ সারাদেশে চলছে অনির্ধারিত লোডশেডিং। এতে জনজীবন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও শিল্প খাতে নেমে এসেছে চরম ভোগান্তি।

 

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের দৈনিক চাহিদা প্রায় ১৬,০০০ মেগাওয়াট। কিন্তু উৎপাদন হচ্ছে ১২,০০০ থেকে ১৩,০০ মেগাওয়াট। ঘাটতি প্রায় ৩,০ মেগাওয়াট।

ফলে ঢাকা শহরে দিনে ৩-৪ ঘন্টা এবং জেলা ও গ্রামাঞ্চলে ৫-৭ ঘন্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না।

 

জ্বালানি সংকট গ্যাসের সরবরাহ কম থাকায় গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো অর্ধেক ক্ষমতায় চলছে।

কয়লা ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধি: আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় কিছু তেলভিত্তিক কেন্দ্র বন্ধ রাখা হয়েছে।চাহিদার চাপ গরমের কারণে এসি, ফ্যান ও কুলারের ব্যবহার কয়েকগুণ বেড়েছে।

গরমে ক্লাসে ফ্যান না চলায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যাহত।

হাসপাতালে আইসিইউ ও অপারেশন থিয়েটারে জেনারেটরের উপর চাপ।

দোকান, শপিংমল ও ছোট কারখানায় উৎপাদন কমেছে। আইপিএস ও জেনারেটরের খরচ বেড়ে পণ্যের দামও বাড়ছে।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, “জ্বালানি সংকট কাটিয়ে উঠতে সরকার কাজ করছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করছি।

পাশাপাশি নাগরিকদের অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ ব্যবহার কমানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

মন্তব্য করুন

জনপ্রিয় খবর

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

Scroll to Top