দিনের আলো ফুরিয়ে সন্ধ্যা নামতেই শুরু হয় গাঁজার আসর। কোথাও কোথাও মদ্যপান ও জুয়ার আসর বসার অভিযোগও রয়েছে। এসব কর্মকাণ্ড ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ও অসন্তোষ বাড়ছে। সন্ধ্যার পর নির্দিষ্ট কিছু স্থানে মানুষের আনাগোনা ও সন্দেহজনক কার্যকলাপ জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। গাজীপুর উপজেলার ২২ ২৩ ও ২৪ নং ওয়ার্ডে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সন্ধ্যার পর কিছু ব্যক্তি নির্দিষ্ট স্থানে জড়ো হয়ে গাঁজা সেবন, মদ্যপান ও জুয়ায় জড়িয়ে পড়েন। এতে এলাকার স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু-কিশোর ও তরুণদের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন সচেতন বাসিন্দারা।
এলাকাবাসীর মতে, মাদক ও জুয়ার মতো কর্মকাণ্ড সামাজিক অবক্ষয়, পারিবারিক অশান্তি এবং আর্থিক সংকটের কারণ হতে পারে। এসব কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।
এলাকার সচেতন মহল মনে করছেন, মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি বাড়ানো জরুরি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
পাশাপাশি অভিভাবকদের সন্তানদের চলাফেরা ও সঙ্গ সম্পর্কে সচেতন থাকা, তরুণদের খেলাধুলা ও গঠনমূলক সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা এবং মাদকবিরোধী প্রচারণা জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
একটি সুন্দর, নিরাপদ ও সুস্থ সমাজ গড়তে মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে পরিবার, সমাজ এবং প্রশাসনকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে। সন্ধ্যার পর যেন কোনো এলাকায় মাদক ও জুয়ার আসর সাধারণ মানুষের স্বস্তি ও নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের কারণ না হয়ে ওঠে, সে জন্য দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।




