১৭ বছর পরে চলু হতে যাচ্ছে সন্ন্যাসী-কলারন ফেরী

বিগত ১৭ বছর ধরে ফ্যাসিস্ট সরকার পানগুছি নদীর জনগুরুত্ব পূর্ন সন্ন্যাসী-কলারন ফেরী ঘাটটি পতিত ঘোষনা করেছিল। কারন বিগত বিএনপি-জামায়াত সরকারের আমলে মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাইদী ও মুফতি মাওলানা আব্দুস সত্তার এমপি পানগুছি নদীর সন্ন্যাসী-কলারন ঘাটে ফেরি সার্ভিসটি চালু করেছিলেন। এ কারনেই ইন্টেনশনালয় এই লাইনটিকে পতিতো ঘোষনা করে ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকার বলে মন্তব্য করেছেন বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আব্দুল আলীম।

 

বৃহস্পতিবার(১৫অক্টোবর) সকালে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেরার পল্লীমঙ্গল থেকে সন্ন্যাসী লঞ্চ ঘাট পর্যন্ত সড়ক নির্মান ও পানগুছি নদীর সন্ন্যাসী অংশে ফেরীঘাটের নির্মান কাজ পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

 

সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আব্দুল আলীম আরো বলেন,বাংলাদেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হওয়ার পরে মাসুদ সাঈদী এমপি এবং আমি এমপি হওয়ার আগে থেকেই বিশিষ্ট জনের পরামর্শে এলাকার দাবি অনুযায়ী আমরা মন্ত্রণালয় যোগাযোগ করি। সেক্ষেত্রে চেষ্টা অনেকেরই ছিল। আমাদের স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও চেষ্টা করেছে। বিশেষ করে মরহুম সেলিম মিয়াও চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সেই চেষ্টার মাধ্যমে খুব বেশি সফলতা আসছিল না। তখন আমরা হস্তক্ষেপ করছিলাম এবং তার বিনিময়ে এই কাজটি দৃশ্যমান হয়েছে।

 

 তিনি বলিন, এই কাজটি সম্পন্ন হলে বরিশাল বিভাগের সাথে আমাদের বাগেরহাট জেলার কানেক্টিভিটি টা সহজ হবে। তার মানে এপার ওপার বন্ধনটা আমাদের আরও সুন্দর হবে। ব্যবসা বাণিজ্য এবং লেখাপড়ার সুবিধা হবে যাতায়াতের সুবিধা হবে এবং এই পথ থেকে সহজে মোংলা পোর্ট ব্যবহারের একটা সুবিধা আমরা পাবো, তো সব মিলিয়ে এই রাস্তার মাধ্যমে আমাদের জনজীবনের একটা ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

 

এ সময় বাগেরহাট সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আশরাফুল ইসলাম, মোরেলগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা সাহাদাৎ হোসাইন, জামায়াত নেতা অধ্যাপক শহিদুল ইসলামসহ স্থানীয় জামায়াত ইসলামীর নেতৃবৃন্দ  ও স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেনী পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য করুন

জনপ্রিয় খবর

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

Scroll to Top