‘আমার বাবা ভ্যান চালান। চর এলাকায় ভ্যান চালিয়ে কষ্টে ছয়জনের সংসার চালান। চার ভাই-বোনের পড়ালেখার খরচ জোগাতে তাকে হিমশিম খেতে হয়। অনেক কষ্ট করে অনার্স-মাস্টার্স শেষ করেছি। এখন চাকরিটা পেয়েও যদি নিয়োগপত্র না পাই, তাহলে আমরা কোথায় যাব?’
জামালপুর সদর উপজেলার আমির হোসেন এসব কথা বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি জানান, তাঁর বাবা ভ্যান চালিয়ে পরিবারের ভরণপোষণ করেন। পরিবারের আর্থিক সংকটের মধ্যেও অনেক কষ্ট করে তিনি অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন।
চাকরি পাওয়ার পর নিয়োগপত্র হাতে পাওয়ার আশায় ছিলেন তিনি। কিন্তু নিয়োগপত্র না পাওয়ায় এখন ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন বলে জানান আমির হোসেন।
অনশনরত প্রার্থীরা জানান, দীর্ঘদিন পড়াশোনা ও প্রস্তুতির পর তাঁরা চাকরির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু নিয়োগপত্র না পাওয়ায় তাঁরা তাঁদের কর্মস্থলে যোগ দিতে পারছেন না।
তাঁরা দ্রুত সমস্যার সমাধান করে নিয়োগপত্র দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
ছবির ক্যাপশন : জামালপুরে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগপত্রের দাবিতে অনশনরত নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীরা।




