স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে তারা একাধিকবার সংশ্লিষ্টদের অবহিত করেছেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি তাদের।
এদিকে, গত ১৩ সেপ্টেম্বর কৃষি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন বন্ধ ও কৃষিজমি রক্ষার দাবিতে মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযোগ দেওয়ার পরও এখন পর্যন্ত ঘটনাস্থলে প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো অভিযান বা কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
কৃষকদের ভাষ্য, ফসলি জমি একবার কেটে ফেলা হলে তা আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা কঠিন। অব্যাহতভাবে মাটি উত্তোলন চলতে থাকলে কৃষিজমির পরিমাণ কমে যাওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় কৃষি উৎপাদনও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
স্থানীয় একাধিক কৃষক বলেন, “আমরা কৃষিজমির ওপর নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহ করি। দীর্ঘদিন ধরে এভাবে মাটি কাটার কারণে আমাদের জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রশাসনের কাছে বারবার অভিযোগ করেও কার্যকর ব্যবস্থা না পাওয়ায় আমরা উদ্বিগ্ন।”
তাদের দাবি, দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মাটি কাটার বৈধতা যাচাই করা হোক। যদি অনুমোদনহীনভাবে মাটি উত্তোলনের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি কৃষিজমি রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক।
এ বিষয়ে স্থানীয় কৃষকরা সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে তাদের ফসলি জমি রক্ষা করা যায় এবং ভবিষ্যতে কৃষিজমি থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন বন্ধ হয়।
তবে অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ড্রেজার মালিক বা মাটি উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।




