বুধবার (৭ অক্টোবর) শার্শা থানা চত্বরে সাপ্তাহিক রোলকল ও বিশেষ ব্রিফিংয়ে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত গ্রাম পুলিশদের উদ্দেশে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়।
ওসি শামিনুল হক বলেন, গ্রাম পুলিশ স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত থাকেন। ফলে একটি এলাকায় কোথায় কী ঘটছে, কারা সন্দেহজনকভাবে চলাফেরা করছে কিংবা কোনো অপরাধ সংঘটনের প্রস্তুতি চলছে কি না- এসব বিষয়ে গ্রাম পুলিশ আগেই জানতে পারেন। তাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি গ্রাম পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, মাদক ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। কোনো মাদক কারবারি বা চোরাকারবারির সঙ্গে গ্রাম পুলিশের কারও যোগসাজশের প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় নিজ নিজ এলাকায় চুরি, ডাকাতি, মাদক, বাল্যবিবাহ, পারিবারিক সহিংসতা, সন্দেহজনক ব্যক্তির আনাগোনা কিংবা যেকোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট বিট কর্মকর্তা ও থানায় জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
পাশাপাশি রাতে এলাকায় নিয়মিত পাহারা জোরদার এবং পুলিশের টহল দলকে সহযোগিতা করতে বলা হয়। কোনো রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত প্রভাবের ঊর্ধ্বে থেকে নিরপেক্ষতা, সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার জন্যও গ্রাম পুলিশ সদস্যদের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
ব্রিফিংয়ে উপস্থিত গ্রাম পুলিশ সদস্যরা পুলিশের দেওয়া নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে পালনের আশ্বাস দেন। পরে এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দ্রুত থানায় পৌঁছে দিতে তাদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
শার্শার সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে মাদক ও চোরাচালানসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে গ্রাম পুলিশকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।




